বিএনপি: একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি

কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে একটা বিষয় বাংলাদেশে অনুপস্থিতই বলা যায়। এই অনুপস্থিতিটি হচ্ছে ক্ষমতার বাইরে যেসব রাজনৈতিক দল আছে তাদের কর্মকাণ্ড। যেকোনও মহামারিতে বা কোনও জাতীয় দুর্যোগে ক্ষমতার বাইরের রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা সবসময়ই বেশি মানবিক হয়। বাংলাদেশের ক্ষমতার বাইরের দলগুলো অতীতে সবসময়ই যেকোনও দুর্যোগে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে। মানুষের আপনজন হয়েছে তারা। অন্যদিকে, এবারের কোভিড-১৯ বিশ্ব মহামারিতে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের ক্ষমতার বাইরের রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং ছোটখাটো বামদলগুলোসহ ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম যেন হারিয়ে গিয়েছে। এম. আর. আখতার মুকুল বেঁচে থাকলে তার চরমপত্রের সরেস ভাষায় হয়তো এতদিনে বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে ‘একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি’ শিরোনামে চমৎকার লেখা উপহার দিতেন। বাস্তবে এই করোনাকালে বিএনপিসহ বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোর খোঁজ নেওয়ার জন্য হারানো বিজ্ঞপ্তি দেওয়ারই মনে হয় সময় এসে গেছে।

করোনায় লকডাউনের মাধ্যমে মানুষকে ঘরে রাখতে হলে বা এই মহামারির সময়ে দেশের মানুষকে সব ধরনের সহযোগিতা দিতে হলে, প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোরও অনেক কাজ ও দায়িত্ব আছে। চীনে যদিও বিরোধী দল নেই তারপরেও তাদের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকর্মীদের কাছ থেকে আমাদের বিরোধী দলগুলো শিক্ষা নিতে পারতো। চীনের উহান প্রদেশের করোনা আক্রান্ত এলাকাগুলোতে কমিউনিস্ট পার্টির তরুণ কর্মীরা দিনরাত মানুষের জন্য কাজ করেছিল। তারা করোনা আক্রান্ত অঞ্চলকে অনেকগুলো ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ফেলে। প্রতিটি ভাগের জন্য দুইশ থেকে এক হাজার পর্যন্ত তরুণ রাজনৈতিক কর্মীর গ্রুপ তৈরি করে। এই গ্রুপগুলোর ছেলেমেয়েরা ভাগ করে নেয় কে কোন বাড়িতে কীভাবে কাজ করবে। তাদের কাজের ভেতর ছিল বয়স্ক লোকদের বাজার সদাই করে দেওয়া, তাদের খাবার আনা-নেওয়া করা, আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তিদের ওষুধ কিনে দেওয়া এবং অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। সেখানে তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদের সেবা থেকে তাদের প্রবীণ নাগরিকরা বঞ্চিত হয়নি। বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এই কোভিড-১৯ মহামারিকালে তাদের তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদের মাধ্যমে এ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারতো। আর এটা করতে পারলে শুধু যে রাজনীতিতে তাঁরা এগিয়ে যেত তা নয়, মানুষেরও আপনজন হতে পারতো। চীনের তরুণরা ও তাদের কমিউনিস্ট পার্টি এ কাজ করেছে এটাই জেনে যে তরুণরা করোনা আক্রান্ত হলে তাদের মৃত্যুঝুঁকি নেই। অতএব, যারা করোনা আক্রান্ত হবে তারা আইসোলেশনে চলে যাবে, বাকিরা মানুষের জন্য কাজ করতে থাকবে। এবং তাদের সঙ্গে এসে যোগ দেবে আরও নতুন নতুন তরুণ কর্মী। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যদি তাদের তরুণ কর্মীদের এভাবে নামাতে পারতো তাহলে তাদের অতীতের অনেক পাপমোচন হয়ে যেত। সরকারি দলও অনেকখানি পিছে পড়ে যেত। কিন্তু গত প্রায় পাঁচ মাসের ভেতর গতকালই পত্রিকার পাতায় বিএনপির ছাত্র সংগঠনের প্রথম একটি সংবাদ দেখলাম। এই সংবাদটির সঙ্গে বিশ্বমহামারির কোনও সংযোগ নেই, এমনকি বাংলাদেশের মানুষেরও কোনও সংযোগ নেই। দৈনিক ‘আমাদের সময়’ পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংবাদের মাধ্যমে জানা গেল বিএনপির ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে আবার বিবাহিতরা এবং চল্লিশোর্ধ্বরা আসছে। এখন অবশ্য বিএনপি বলতে পারে আমরা এই কারণেই কোভিড মহামারিতে আমাদের ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের নামতে দেয়নি। কারণ, আমাদের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করা হতো। পাশাপাশি করোনা সম্পর্কিত জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী যে আহ্বান জানিয়েছিলেন তাও অমান্য করা হতো। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, আপনারা প্রত্যেকেই পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠের প্রতি যত্নবান হোন। অন্যদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সিনিয়র সিটিজেনদের ঘরে থাকার জন্য বলা হয়েছে। বিএনপির ছাত্র সংগঠনের অনেকেই তাদের পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ এবং সমাজেও তারা সিনিয়র। তাই মূলত প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের করোনা মহামারিতে মানুষের পাশে আসার মূল বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া বিএনপির নেতারা আরও বলতে পারেন তাদের সিনিয়র নেতারা বেশিরভাগই অতীতে আইনসভার সদস্য ছিলেন। তাই কোনোমতেই তারা তাদের ছাত্রসংগঠনের কর্মীদের আইন বা বিধি ভঙ্গ করতে বলতে পারেন না।

অপরদিকে কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের কী অবস্থা তা অবশ্য এখন আর খুব একটা পত্র-পত্রিকায় আসে না। তবে আর যাই হোক, তারা মনে হয় কেউই সিনিয়র সিটিজেন নন। কিন্তু তারপরেও এবার মানুষের সেবায় তাদের কেন দেখা মিললো না এটা সত্যিই আশ্চর্যজনক। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্রসংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের অতীতের ঐতিহ্যের সঙ্গে এবারের এই পলাতক অবস্থান মোটেই যায় না। কিন্তু বাস্তবে সেটাই ঘটেছে। এই সব মিলে বর্তমানের এই করোনাকালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর কর্মকাণ্ড খুঁজতে গেলে সত্যিই পত্রিকার পাতায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

বাজেট ছিঁড়ে ফেলাঃ

তবে এরপরেও বিএনপির ধন্যবাদ দেওয়া উচিত ড. কামাল হোসেনকে। তিনি যদি না তাদের জড়ো করে নির্বাচনে না আনতেন তাহলে এই কোভিড মহামারিতে সত্যি সত্যি হারিয়ে যেত বিএনপি। ড. কামাল হোসেনের বদৌলতে নির্বাচনে এসে অন্তত পাঁচ জনকে পার্লামেন্টে পাঠাতে পেরেছিলেন বলেই এই কোভিড-১৯ কালে কিছুটা হলেও পার্লামেন্ট চত্বরে বেঁচে আছে বিএনপি। বিএনপির পাঁচ জন সংসদ সদস্য এবার পার্লামেন্টে অনেক সুযোগ নিতে পারতেন। কারণ, এবার পার্লামেন্ট অধিবেশনটি ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, এটা কোভিড-১৯ কালের প্রথম অধিবেশন; দ্বিতীয়ত, এটা বাজেট অধিবেশন। যেকোনও মহামারি, দুর্যোগ ও সর্বোপরি বিশ্ব মহামারিতে প্রতিটি রাষ্ট্রেরই কমবেশি ব্যর্থতা থাকে। এবারের এই বিশ্বমহামারিতে পূর্ব এশীয় কয়েকটি দেশ ছাড়া এশিয়ার বাকি দেশ, ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া সকলেরই ব্যর্থতা আছে। কোভিড বিশ্বমহামারি শুরু হয়েছে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে। বাংলাদেশে এসেছে এটা এ বছরের মার্চের ৮ তারিখে। এর ভেতর চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, স্পেন ও যুক্তরাজ্য বড় আকারে আক্রান্ত হয় এবং তাদের অনেক ভুলভ্রান্তি জনসম্মুখে ও মিডিয়ায় চলে আসে। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশ হংকং (যদিও অনেকখানি চীনের অধীন) সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন করে। তাই জুন মাসে বিএনপি যখন সংসদ অধিবেশনে গেছে তখন তাদের হাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সারা পৃথিবীর অনেক বেশি ব্যর্থতা ও সফলতার তথ্য-উপাত্ত থাকার সুযোগ ছিল। তাদের সুযোগ ছিল মার্চ থেকে জুন অবধি বাংলাদেশ সরকার কোন কোন ক্ষেত্রে সফল হয়েছে ও কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে সে সম্পর্কিত তথ্য জোগাড় করা। এবং এসব তথ্য নিয়ে তাঁরা শুধু পার্লামেন্টের ফ্লোর নিজেদের দখলে নিয়ে নিতে পারতো না, তাঁরা সরকারের সফলতার অংশটুকু সমর্থন করে এবং ব্যর্থতাগুলোর ক্ষেত্রে পথ দেখিয়ে বিশ্ব মহামারিকালে একটি নতুন রাজনীতি শুরু করতে পারতো। আর এটা শুরু করতে পারলে এ কাজের মাধ্যমে তারা শুধু তাদের দলের অতীতের ভুল থেকে নিজেদের টেনে তুলতে সহায়তা করতো না, জনগণের সহানুভূতিও পেত। মানুষ বলতো এই মহামারির ভেতর দিয়ে বিএনপি নতুন দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তার বদলে বিএনপি অতীতের মতো অপ্রস্তুত ও কোনও তথ্য ছাড়া খালি হাতেই সংসদে গেছে। এবং সেখানে গিয়ে ওই গৎবাঁধা বুলি অর্থাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ছাড়া কোনও নতুন কথা বলতে পারেনি। এ আচরণ দিয়ে বা সংসদে এমন পারফরম্যান্স দিয়ে কখনোই এ ধরনের বিশ্বমহামারিকালে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় না। কারণ, বর্তমান সময়ে জনগণের মনটি খুবই হিমশীতল। শীতলতার একটা গভীর অন্ধকার নিয়েই প্রতিটি মানুষ এখন বাস করছে। কারণ, প্রতিদিনই কারো না কারো কাছে আসছে তার আপনজন বা পরিচিতজনদের মৃত্যুর খবর। বিশেষ করে জাতির অনেক শ্রেষ্ঠ সিনিয়র সিটিজেন হারিয়ে গেল এ সময়ে। পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারই তাদের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য বিশেষ করে পিতা-মাতা, ফুফু-খালা এমনি প্রিয়জনের জীবন নিয়ে উদ্বিগ্ন। এমনি একটি সময়ে মূল্যহীন বিরোধিতার রাজনীতি দিয়ে কোনোমতেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় না। এ সময়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার একমাত্র পথ এমন কোনও রাজনীতি সামনে আনা, যে রাজনীতি মানুষের দুর্যোগ থেকে মুক্তির পথ খুলে দিতে পারে। বিএনপি এই শেষেরটির হাজার যোজনও কাছে ছিল না। এমনকি তাদের চিন্তাচেতনায়ও সেটা দেখা যায়নি। কেবল তারা অতীতের মতো কিছু বাক্য ব্যবহার করেই তাদের দায় সেরেছে।

কোভিড-১৯ ছাড়া এই পার্লামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আগামী অর্থবছরের বাজেট। সরকার আগামী অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছে এবং পাসও করেছে। এই বাজেট নিয়ে অনেক লেখা লিখেছি। তাই বাজেট সম্পর্কে কিছু লিখে এই লেখার আকার বাড়াতে চাই না। বাজেট সম্পর্কে শুধু দুটো লাইনই বলবো।

এক. বাজেট করার ক্ষেত্রে সরকার সাহসের পরিচয় দেখিয়েছে। কোনও মহামারি বা বিশ্বমহামারির সময়ে সব থেকে বড় বিষয় সাহস। সাহস হারালে এর থেকে উত্তরণ ঘটানো অনেক কঠিন।

দুই. সরকার বাজেট সংকুচিত করেনি। এটা যথার্থ। কারণ, সংকুচিত বাজেট নিয়ে কখনোই মন্দা মোকাবিলা করা যায় না। কোভিড পরবর্তী সময়ে যে একটা মন্দা আসবে বা ইতোমধ্যেই এসে গেছে তা নিয়ে কারোর আর কোনও সন্দেহ থাকার সুযোগ নেই। সে হিসেবে একটা বড় বাজেটই দরকার ছিল। আর সেটাই হয়েছে। বিএনপির যে আমার এই মতের সঙ্গে একমত হতে হবে সেটা কখনোই নয়। আবার বিএনপিকে যে এই বাজেট ভালো বলতে হবে, মেনে নিতে হবে, তাও নয়। কিন্তু এই বিশ্বমহামারিকালে শুধু বাকযন্ত্রের জোরে বাজেটের বিরোধিতা করে রাজনীতির পাদপ্রদীপে আসার কোনও সুযোগ নেই। পার্লামেন্টের একটি বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি যদি এই বাজেটের বিরোধিতা করা সত্যিই সঠিক কাজ মনে করতো এবং বাজেট নিয়ে তাদের যদি কোনও চিন্তাভাবনা থাকতো তাহলে ভিন্ন ঘটনা ঘটতো। কারণ, বাজেট দেওয়া হয়েছে জুনের প্রথম সপ্তাহে। দেশ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছে মার্চের প্রথম সপ্তাহে এবং তখন এটাও পরিষ্কার সারা বিশ্ব কোভিডের কবলে পড়তে যাচ্ছে। তাই বিশ্বমন্দা অনিবার্য। এ সময়ে বিএনপি যে তিন মাস হাতে পেয়েছিল, এই তিন মাসে তারা বিকল্প বাজেট তৈরি করতে পারতো। পার্লামেন্টে তাঁরা তাদের বিকল্প বাজেট থেকে অনেক কিছুই তুলে ধরতে পারতো। অন্যদিকে, সংবাদ সম্মেলন করে গোটা জাতিকে তাদের বিকল্প বাজেট জানাতে পারতো। আর সেই বিকল্প বাজেটে যদি সত্যি সত্যি আশার আলো বা ভবিষ্যৎ রূপরেখা থাকতো তাহলে ভিন্ন হতো তাদের অবস্থান। তখন জনগণই সরকারকে বলতো জাতীয় বাজেটে এসব দিকনির্দেশনা গ্রহণ করা হোক।

কিন্তু বিএনপি তার বদলে কী করেছে! বিএনপির সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্ট ভবন চত্বরে বাজেটের কপি কুটি কুটি করে ছিঁড়েছে। এ কাজের ভেতর দিয়ে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে এক তিলও লাভবান হয়েছে কিনা সেটা বোঝার ক্ষমতা অন্তত আমার নেই। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা একবার ভেবে দেখতে পারেন তাঁরা যে কাজটি করেছেন তা পার্লামেন্ট মেম্বারের কাজের সঙ্গে যায় কিনা। কারণ, কাউকে ভদ্র আচরণ করার জন্য অনুরোধ করতে হলে বলা হয় ‘বিহেভ লাইক এ পার্লামেন্টারিয়ান’। বিএনপির পার্লামেন্ট মেম্বাররা কি এই সম্মান রেখেছেন? সংসদ থেকে ওয়াকআউটই সংসদে সর্বোচ্চ প্রতিবাদ। বিএনপির পার্লামেন্ট সদস্যরা এই বাজেটের কপি সংসদ চত্বরে কুটি কুটি করে ছিঁড়ে জাতিকে কি আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন না, তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে অন্য পার্লামেন্টারিয়ানের উদ্দেশে বলেছিলেন ‘চুপ বেয়াদব’। বিএনপির এই পাঁচ সংসদ সদস্য যে খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি সেই প্রমাণই কি তাঁরা রেখে গেলেন না!

লেখকঃ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক

সৌজন্যেঃ বাংলাট্রিবিউন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *