করোনা দুর্গতদের পাশে টিসিবি

উৎসব মানেই মূল্যছাড়—যুগ যুগ ধরে এমন চর্চাই চলে আসছে সারা পৃথিবীতে। কিন্তু বাংলাদেশ চলছে তার শতভাগ বিপরীত দিকে। বাংলাদেশে উৎসব মানেই ব্যবসায়ীরা নেমে পড়েন বেশি মুনাফা করার প্রতিযোগিতায়। বিচ্ছিন্ন ব্যতিক্রম ছাড়া এ দেশে নিত্যপণ্য থেকে পোশাক—সবকিছুতেই কমবেশি এমন প্রতিযোগিতা চলে।

এবারে রমজানের দুই – তিন সপ্তাহ আগে থেকেই এরই মধ্যে ব্যবসায়ীরা তাঁদের বহু বছরের পুরোনো অভ্যাস অনুযায়ী নিত্যপণ্যের দাম বাড়াতে শুরু করে দিয়েছেন। তাই সরকারকে বিকল্প পথ অবলম্বন করতে হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, এবারের রমজানে টিসিবির মাধ্যমে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে বাজার সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। তাই রমজান মাসকে ঘিরে আমাদের বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানির করা হয়েছে ।

করোনা দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে বেকার হয়ে পড়া দিনমজুর, হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আয় উপার্জনহীন। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরনের কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। এ সময় বাজার মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে মান সম্মত টিসিবির পণ্যই করোনা দুর্গতদের একমাত্র ভরসা।

ময়মনসিংহ অঞ্চলের টিসিবি ডিলার জনাব আশরাফুল আজিম বলেন,
প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই সফল প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এম.পি কে যার যুগান্তকারী পদক্ষেপ এর কারনে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের এই সুবিধা পাচ্ছে।

তিনি শনিবার নগরীর বা,কৃ,বি এলাকায় সকাল সাড়ে ১১ টায় টিসিবি পয়েন্টে ন্যায্য মূল্যে
১। চিনি ৫৫.০০ (প্রতি কেজি)
২। মশুর ডাল ৫৫.০০ (প্রতি কেজি)
৩। সয়াবিন তেল ৫০০(৫লিটার বোতল)
৪। ছোলা ৫৫.০০ (প্রতি কেজি)
৫। খেজুর ৮০.০০(প্রতি কেজি)
৬। পেঁয়াজ ২০.০০(প্রতি কেজি) বিক্রি করেন…

ভোক্তারা জানান, টিসিবি’র পণ্য মানে ভালো, দামে কম ও সঠিক ওজনে কিনতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি। একই সাথে রমজান মাসের বাড়তি চাহিদার কারণে ভোক্তাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ টি ওয়ার্ডে পালাক্রমে ১০টি ট্রাক সেল পয়েন্টে সপ্তাহের শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ট্রাকে পণ্য থাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হয়।

SHARE THIS POST